Hotline: ☏ 01979045504, ☏ 01979046604

ভেরিকোস ভেইন: চিন্তা নেই, চিকিৎসা আছে!

ভেরিকোস ভেইন হলো ফুলে যাওয়া, বেঁকে যাওয়া এবং বেদনাদায়ক শিরা যা প্রায়শই পায়ে দেখা যায়। যখন শিরার ভেতরের ভাল্ব দুর্বল হয়ে পড়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন রক্ত সঠিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে না, যার ফলে শিরাগুলি প্রসারিত এবং ফুলে যায়।

কিডনির পাথরের চিকিৎসায় সার্জারির বিকল্প

কিডনির পাথর, যা নেফ্রোলিথিয়াসিস নামেও পরিচিত, এটি এমন একটি সমস্যা যা তীব্র ব্যথা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। যখন মূত্রের মধ্যে থাকা খনিজ পদার্থগুলি স্ফটিক তৈরি করে এবং শক্ত হয়ে যায় তখন কিডনির পাথর তৈরি হয়। পাথরের আকার ছোট বালির দানা থেকে গল্ফ বলের আকার পর্যন্ত হতে পারে।

পিত্তথলি অপসারণের পর: সম্ভাব্য সমস্যা, খাদ্যাভ্যাস ও ফলোআপ অ্যাপয়েন্টমেন্টের গুরুত্ব

পিত্তথলি, একটি ছোট অঙ্গ যা পিত্তরস ধারণ করে, শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পিত্তরস চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। যখন পিত্তথলি অপসারণ করা হয় (যাকে cholecystectomy বলা হয়), তখন শরীরকে এই কাজটি পুনরায় অনুসন্ধান করতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, শরীর সময়ের সাথে সাথে এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়। তবে, কিছু লোক অস্ত্রোপচারের পর কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর খাবার: আপনার কিডনির যত্ন নেওয়ার সহজ উপায়

কিডনি রোগের চিকিৎসায় জীবনধারার পরিবর্তন, বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনি রোগীদের জন্য একটি সুষম খাদ্যতালিকা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কিডনির উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে।

গ্যাংরিন বা পায়ের পচন: কারণ, লক্ষণ এবং করণীয়

গ্যাংরিনের চিকিৎসায় হাইপারবারিক অক্সিজেন থেরাপি (HBOT) টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়িয়ে নিরাময় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে, সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং নতুন রক্তনালী গঠনকে উদ্দীপিত করতে পারে, তবে কানে ব্যথা, চোখের চাপ বৃদ্ধি, ক্লস্ট্রোফোবিয়া, সংক্রমণের ঝুঁকি, অগ্নিঝুঁকি এবং অ্যানেস্থেসিয়ার সাথে মিথস্ক্রিয়ার মতো কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়েছে, সুতরাং HBOT শুরু করার আগে আপনার ডাক্তারের সাথে সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ই.সি.জি. (ECG) এবং স্ট্রেচ টলারেন্স টেস্ট (ETT): হৃদ স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পর্কে জানুন

ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (ECG) হল হৃদস্পন্দন রেকর্ড করার একটি পরীক্ষা। এটি হৃদযন্ত্রের বিদ্যুৎ কার্যকলাপ পরিমাপ করে। ECG হৃদরোগের লক্ষণ, যেমন অ্যারিথমিয়া (অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন), ইস্কেমিয়া (হৃদপেশীতে রক্ত ​​প্রবাহ কমে যাওয়া) এবং হৃদরোগ (হৃদপেশীর ক্ষতি) নির্ণয় করতে সহায়তা করতে পারে।
স্ট্রেচ টলারেন্স টেস্ট (ETT) হল হৃদরোগের ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য একটি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায়, একজন ব্যক্তিকে একটি ট্রেডমিল বা সাইকেলে ব্যায়াম করতে বলা হয় যখন তাদের হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ করা হয়।

স্বাস্থ্যকর জীবনে হৃদরোগ প্রতিরোধ: খাদ্য ও ব্যায়ামের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখুন

স্বাস্থ্যকর জীবনে হৃদরোগ প্রতিরোধ: খাদ্য ও ব্যায়ামের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখুন হৃদরোগ কি?হৃদরোগ হলো হৃৎপিণ্ড ও এর সংশ্লিষ্ট রক্তনালীগুলোর বিভিন্ন রোগের সমষ্টি। এই রোগগুলো হৃৎপিণ্ডের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে এবং গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। হৃদরোগের কিছু সাধারণ ধরণ: করোনারি ধমনী রোগ (CAD): এটি হৃদরোগের সবচেয়ে সাধারণ ধরণ। এটি তখন ঘটে যখন করোনারি ধমনীগুলো, যা হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ করে, প্লাক দ্বারা সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যায়।স্ট্রোক: এটি তখন ঘটে যখন মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বা হ্রাস পায়।হৃৎপেশীর ব্যর্থতা: এটি তখন ঘটে যখন হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে যায় এবং পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে পারে না।জন্মগত হৃদরোগ: এটি এমন হৃদরোগ যা জন্মের সময় উপস্থিত থাকে। হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ: বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।পরিবারের ইতিহাস: আপনার যদি হৃদরোগে আক্রান্ত পরিবারের সদস্য থাকে তবে আপনার ঝুঁকি বেশি।উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ।উচ্চ কোলেস্টেরল: উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের আরেকটি প্রধান ঝুঁকির কারণ।ধূমপান: ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।মধুমেহ: মধুমেহ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।অল্প ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম না করা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।অস্বাস্থ্যকর খাদ্য: অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।অতিরিক্ত মদ্যপান: অতিরিক্ত মদ্যপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর উপায়:আপনি আপনার জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন করে হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান: ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান। স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট, কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান।নিয়মিত ব্যায়াম করুন: সপ্তাহে বেশিরভাগ দিন কমপক্ষে 30 মিনিট মাঝারি-তীব্র ব্যায়াম নিয়মিত ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। এটি আপনার হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করতে, রক্তচাপ কমাতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কিছু সহজ ব্যায়াম যা আপনি করতে পারেন: দ্রুত হাঁটাদৌড়ানোসাঁতার কাটাসাইকেল চালানোনৃত্যযোগ ব্যায়ামতাই চি আপনার জন্য কোন ধরণের ব্যায়াম সেরা তা নির্ধারণ করার জন্য আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। কিছু টিপস যা আপনাকে আরও বেশি ব্যায়াম করতে সাহায্য করতে পারে: একটি ব্যায়াম বন্ধু খুঁজুন: একসাথে ব্যায়াম করা বেশি মজার এবং প্রেরণাদায়ক হতে পারে।একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: প্রতিদিন 30 মিনিট ব্যায়ামের লক্ষ্য নির্ধারণ করার চেষ্টা করুন, এমনকি যদি আপনাকে এটি অল্প অল্প করেও করতে হয়।এটি উপভোগ করুন: এমন ব্যায়াম খুঁজুন যা আপনি উপভোগ করেন।এটি একটি অভ্যাসে পরিণত করুন: প্রতিদিন একই সময়ে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন, যাতে এটি একটি অভ্যাসে পরিণত হয়।পুরষ্কার নির্ধারণ করুন: নিজেকে পুরষ্কার দিন যখন আপনি আপনার লক্ষ্য অর্জন করেন। নিয়মিত ব্যায়াম শুধুমাত্র আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে না, এটি আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা উন্নত করতে পারে।

টাক মাথায় চুল গজানো: সম্ভব কি?

টাক মাথায় চুল গজানো: সম্ভব কি? চুল পড়া এমন একটি সমস্যা যা অনেক মানুষকে বিরক্ত করে। টাক মাথা, বিশেষ করে পুরুষদের জন্য, আত্মবিশ্বাসের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকেই জানতে চান টাক মাথায় চুল গজানো সম্ভব কিনা এবং যদি তা হয়, তাহলে কীভাবে। সম্ভাবনা: টাক মাথায় চুল গজানো সম্ভব কি না তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর, যার মধ্যে রয়েছে: টাকের কারণ: জিনগত কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, পুষ্টির ঘাটতি, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, এবং পরিবেশগত কারণ টাকের জন্য দায়ী হতে পারে।টাকের মাত্রা: টাকের পরিমাণ কতটা তাও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট্ট টাক মাথা চুল গজানোর জন্য বড় টাক মাথার চেয়ে সহজ হতে পারে।বয়স: বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল গজানোর ক্ষমতা কমে যায়। চুল গজানোর উপায়: টাক মাথায় চুল গজানোর জন্য বিভিন্ন উপায় রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: ঔষধ: ফাইনাস্টারাইড এবং মিনোক্সিডিল দুটি ঔষধ যা টাকের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।লেজার থেরাপি: লেজার থেরাপি চুলের বৃদ্ধি উদ্দীপিত করতে পারে।হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট: হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট টাক মাথা থেকে চুল সরিয়ে তা মাথার অন্য অংশে প্রতিস্থাপন করে।প্রাকৃতিক উপায়: কিছু প্রাকৃতিক উপায়, যেমন নারকেল তেল, পেঁয়াজের রস, এবং অ্যালোভেরা জেল, চুল গজানোতে সাহায্য করতে পারে। উপসংহার: টাক মাথায় চুল গজানো সম্ভব, তবে এটি নির্ভর করে ব্যক্তির উপর এবং টাকের কারণের উপর। চুল গজানোর জন্য বিভিন্ন উপায় রয়েছে, তবে কোনটি কার্যকর হবে তা নির্ধারণের জন্য একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন: এই প্রতিক্রিয়াটি শুধুমাত্র তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে এবং চিকিৎসা পরামর্শ হিসেবে বিবেচিত হবে না।আপনার চুলের সমস্যা সম্পর্কে আরও জানতে এবং চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন।

কোমর ব্যথা: কারণ, প্রতিরোধ এবং সমাধান

কোমর ব্যথা হালকা অস্বস্তি থেকে শুরু করে তীব্র যন্ত্রণা পর্যন্ত হতে পারে এবং দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করতে পারে। কোমর ব্যথার অনেক সম্ভাব্য কারণ রয়েছে, এবং কারণ নির্ণয়ের উপর নির্ভর করে, বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে।

দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন: শিরা ব্লক প্রতিরোধের উপায়

দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন: শিরা ব্লক প্রতিরোধের উপায় আধুনিক জীবনযাত্রায়, অনেকেরই দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকার কাজ থাকে। অফিসে কাজ করা, গাড়ি চালানো, টেলিভিশন দেখা – এই সবকিছুই আমাদের দীর্ঘ সময় ধরে একই অবস্থানে রাখে। দীর্ঘ সময় বসে থাকার ঝুঁকি:দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি হল শিরা ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি। শিরা ব্লক কী?শিরা ব্লক হল যখন শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে বা অন্য কোনও বাধা সৃষ্টি হয়। এর ফলে রক্ত প্রবাহ ব্যাহত হয় এবং ব্যথা, ফোলাভাব এবং অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিরা ব্লকের লক্ষণ:পায়ে ব্যথা, ফোলাভাব এবং ভারী অনুভূতিপায়ে লালচে, নীলচে বা বাদামী রঙের দাগচামড়ায় ঘা বা ক্ষতপায়ে পেশী টানজ্বর এবং ঠান্ডা লাগা শিরা ব্লক হওয়ার কারণ:শিরা ব্লক হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে। এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হল: রক্ত জমাট বাঁধা: রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তা রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে শিরা ব্লক করতে পারে।সংক্রমণ: শিরায় ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য জীবাণু সংক্রমণ হলে তা শিরা ব্লক করতে পারে।চাপ: দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে থাকা বা শুয়ে থাকার ফলে শিরায় চাপ সৃষ্টি হতে পারে এবং রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে যায়।স্থূলতা: স্থূলকায় ব্যক্তিদের শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা বেশি থাকে।ধূমপান: ধূমপান শিরায় ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে দেয়।কিছু ওষুধ: কিছু ওষুধ, যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ এবং কেমোথেরাপি ওষুধ, রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে দিতে পারে।শিরা ব্লক হলে করণীয়:শিরা ব্লক হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসার ধরণ নির্ভর করবে ব্লকের কারণ ও অবস্থানের উপর। কিছু সম্ভাব্য চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে: ঔষধ: রক্ত পাতলা করার ওষুধ, যেমন ওয়ারফারিন বা অ্যাসপিরিন, রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে সাহায্য করতে পারে।কম্প্রেশন মোজা: কম্প্রেশন মোজা পরলে শিরায় রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে সাহায্য করে।শল্যচিকিৎসা: কিছু ক্ষেত্রে, ব্লক অপসারণ করার জন্য শল্যচিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। শিরা ব্লক প্রতিরোধের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে এবং রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করতে সাহায্য করে।স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা: স্থূলতা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।ধূমপান ত্যাগ: ধূমপান শিরায় ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে দেয়।পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান: পানিশূন্যতা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলা: দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। এর ফলে শিরা ব্লক হতে পারে যা গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার দিকে ধাবিত করতে পারে। কিছু টিপস যা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়াতে সাহায্য করতে পারে: নিয়মিত বিরতি নিন: প্রতি ঘন্টায় অন্তত একবার ৫ মিনিটের জন্য হাঁটুন বা আপনার পায়ের পেশীগুলোকে প্রসারিত করুন।আপনার কাজের স্টেশনটি সামঞ্জস্য করুন: নিশ্চিত করুন যে আপনার কম্পিউটারের মনিটরটি আপনার চোখের সমতলে আছে এবং আপনার কীবোর্ড এবং মাউসটি আপনার হাতের কাছে এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে আপনাকে আপনার বাহু প্রসারিত করতে না হয়।একটি স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করুন: যদি সম্ভব হয়, একটি স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করুন যাতে আপনি দিনের কিছু সময় দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারেন।কম্প্রেশন মোজা পরুন: কম্প্রেশন মোজা পরলে শিরায় রক্ত প্রবাহ উন্নত করতে সাহায্য করে।প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন: পানিশূন্যতা রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়, তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।আপনার যদি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কাজ থাকে, তাহলে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তারা আপনাকে আপনার ঝুঁকি কমাতে এবং শিরা ব্লক প্রতিরোধ করতে সহায়তা করার জন্য অতিরিক্ত টিপস দিতে পারেন। মনে রাখবেন: দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন। এটি শিরা ব্লক প্রতিরোধ করতে এবং আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

ISLAMIA HOSPITALS BANGLADESH

(In front of Kadamtali Thana🚔)

🗺️Modinabag, Rayerbag, Dhaka-1362

Hotline: 01979045504 , 01979045504

Islamia General Hospital Demra

🗺️Tahmid Alam Bhaban,

Farmer Mor, Paradogar,

63 Farmer Mor, Dhaka

Hotline: 01916-176176

Islamia Diagnostic & consultation Center

🗺️729/C, Road-548/C,

Dhaka 1219, Bangladesh

Hotline: 0247210675

Chatkhil Islamia Hospital

🗺️3X6J+9C8, R142, Chatkhil, Bangladesh

Hotline: 01825680680

© 2024 ISLAMIA HOSPITALS BANGLADESH . All Rights Reserved.